ক্যাম্পাসের ছোট্ট ছোট্ট ভালো লাগার সিঁড়িগুলো

Posted on

উহ!এটাই তো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনতে চাইলে সকালে বা সন্ধ্যাবেলায় আইন অনুষদের পাশে পাঁচ রাস্তার মিলনস্থলে এসো।

তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হলে এ.এফ. রহমান হলের ৩১৬ নাম্বার রুমের সামনের বারান্দায় এসে দাঁড়িয়ো,মাতাল হাওয়া দেহ মনে প্রশান্তি বয়ে আনবে।

সবুজ প্রকৃতির সাথে সখ্যতা গড়তে চাইলে সাংবাদিকতা বিভাগের অলিন্দে এসে বসে; বেলকনির কার্নিশে গালে হাত দিয়ে উদাসী হয়ে কৃষ্ণচূড়া গাছগুলোর দিকে চেয়ে থেক।ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে ধূসর কাঠবিড়ালির দর্শন ও পেতে পারো।

প্রকৃতির সাথে মানুষের বৈরিতা দেখতে হলে টেলিটক পাহাড়ের চূড়ায় উঠে, বিস্তৃত পাহাড়ের ঢালে চোখ রেখ অথবা বোটানিক্যাল গার্ডেনের পিছনের পাহাড়ের পাদদেশে দাঁড়াতে পার।

ক্ষুধা লাগলে চলে এসো কলা ঝুপড়ি তে। বাহারি ভর্তার সাথে ভাত, এ যেন চিরায়ত গ্রামবাংলার সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র।

মন খারাপ থাকলে চলে এসো ফরেস্ট্রিতে।চোখ বন্ধ করে কিছু সময় বসে থেক কাপল রোডে;তোমার মন ভাল হওয়া ঠেকায় কে!

বৃষ্টিতে ভিজতে চাইলে সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সামনে টাইটনিক চত্তরে এসে দাঁড়িয়ে ;বৃষ্টির ফোঁটারা তোমাকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে মাটিতে পড়বে।

সারি সারি পাইন গাছের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলেও তোমাকে আসতে হবে সমাজবিজ্ঞান অনুষদে।

আমাদের টিএসসি নেই কিন্তু,সেন্ট্রাল ফিল্ড আছে।সঙ্গীর কোলে মাথা রেখে আকাশ দেখতে সন্ধ্যার পর তাঁকে নিয়ে চলে এসো সেন্টারাল ফিল্ডে।সবুজ ঘাস তোমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকবে।

সূর্যাস্ত দেখতে চলে এসো ইউপিডিএফ লেখা দেওয়ালের ওপর।

সোডিয়াম লাইটের আলোয় বসে আড্ডা দিতে চলে এসো জিরো পয়েন্টে।

জীবনের গভীরতা আর ভালবাসার সূক্ষ অনুভূতির এক কঠিন মিশ্রণ দেখতে সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে এসো।

লেখকঃ কথা

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments