অভি হেঁটে যাচ্ছে। হাতে মিষ্টির প্যাকেট। ঘরে তার ছোটবোন আঁখি।
অভির এসএসসির পর রোড এক্সিডেন্টে তার মা-বাবা মারা যায়, বেঁচে যায় অভি ও তার দশ বছরের বোন আঁখি। লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে সেলুনের কাজ শুরু করে অভি। তাদের ছোট্ট পরিবারে নানা রকম সাহায্য করে প্রতিবেশী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আহসান সাহেব। বয়স্ক আহসান সাহেব ব্যক্তিগত জীবনে অবিবাহিত। অভি আর আঁখিকে নিজ সন্তানের মত ভালোবাসতো। অভি ভালো উপার্জনের জন্য ঢাকা যেতে চাইলে ছোট্ট আঁখির করুণ চিৎকার “দাদা আমাকে ছেড়ে যাইস না।” তারপর অভি আর যেতে পারে না। আহসান সাহেব তাদের সবসময় তার সাধ্যমত সাহায্য করে।
দশ বছরের আঁখি এখন এইচএসসি পরীক্ষার্থী। অভি একটি সেলুনের মালিক। মেম্বারের ছেলে নির্মল আঁখিকে ভালোবাসে। তার প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় আঁখি আজ ধর্ষিতা। প্রতিবাদ করায় আহসান সাহেবের লাশ আজ হাসপাতালের মর্গে। গ্রামে এখন একঘরে আঁখি আর অভি।

মিষ্টিতে বিষ মেশানো। অভি তার ঘরে যাচ্ছে। ঘরে তার ছোটবোন আঁখি।

 

-প্রিয়াংশু পাল চৌধুরী
যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

1 মন্তব্য

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে