বাংলাদেশের প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত করার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল গত ৮ই মার্চ থেকে। সেই থেকে আজ পর্যন্ত ১০৪ দিনে এই ভাইরাস সংক্রমিতদের শনাক্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী দেশ ভারতের আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে ১০৯ দিনের মাথায়। বাংলাদেশ ও ভারতের মতে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোতেও করোনায় সংক্রমিতদের শনাক্ত করার হার এভাবেই ধীর গতিতে বাড়ছে। সেই হিসেবে বাংলাদেশের আক্রান্ত মৃতের সংখ্যা পিক বা সর্বোচ্চ শিখড়ে যেতে আরো ৪২ দিন থেকে কয়েক মাস সময় পর্যন্ত লাগতে পারে এমন আশঙ্কা জানিয়েছেন। ( জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ)। আবার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌছানোর পর করোনার সর্বোচ্চ শিখড়ে অবস্থানের স্থায়িত্ব দীর্ঘ সময় ধরে হতে পারে বলেও আশঙ্কা তাদের।

ব্রিটেনে করোনাভাইরাস ছড়ানোর পিক টাইম প্রায় ৪২ দিন ধরে স্থায়ী ছিল। বাংলাদেশে এর চেয়ে বেশি সময় ধরে পিক টাইম স্থায়ী হতে পারে বলে মনে করেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বে-নজির আহমেদ। ইতালিতে পিক টাইমের সময় ছিল আরো কম। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা যেমন দ্রুত গতিতে বেড়েছে, তেমনি দ্রুত গতিতে সেটা আবার সর্বোচ্চ শিখড়ে পৌছে আবার বেশ দ্রুত নেমেও গেছে। দেশটিতে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় ৩০ শে জানুয়ারি। মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যার গ্রাফ হু হু করে উপরের দিকে উঠতেই থাকে। মার্চের শেষের দিকে শনাক্তের সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌছায়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের সংখ্যা কমে আসতে থাকে। অপরদিকে বাংলাদেশের প্রথম শনাক্তের পর তিন মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখানে আক্রান্তের সংখ্যা এখনো উর্ধ্বমুখী। বাংলাদেশের আক্রান্তের হার কবে নাগাদ সর্বোচ্চ শিখড়ে পৌছাবে তা কেও-ই
নিশ্চিত বলতে পারছে না এখনো।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে